ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ২৬ জুলাই সকল সরকারি দপ্তরে একযোগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট মৌলভীবাজার শহর শাখার নতুন কমিটি গঠন- সভাপতি শ্যামল, সম্পাদক পৌষী পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মীর কাশেম র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার যশোরের শার্শায় ৬ বছরের শিশু ধর্ষন চেষ্টায় অভিযুক্ত আটক উপকূলীয় জেলে পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে দ্রুত ভাগ্য বদলাতে পারে: ডিসি জাহিদ এপিবিএনের নেতৃত্বে টেকনাফে যৌথ অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাতসহ ১৮ জন আইনের আওতায় আগুনে পুড়ে যাওয়া কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন, ফিরছে শিক্ষা কার্যক্রমে প্রাণ আইবিএন নিউজ বাংলাদেশ ব্যুরোর ডেপুটি ব্যুরো চিফ হলেন এসএম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ শুল্ক বৃদ্ধির ফলে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে মাছ আমদানি বন্ধ হওয়ার পথে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শীলখালী চেকপোস্টে প্রাইভেটকারে ইয়াবা, চালক আটক

এপিবিএনের নেতৃত্বে টেকনাফে যৌথ অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাতসহ ১৮ জন আইনের আওতায়

  • প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ও একাধিক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ মোট ১৮ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ১৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন বিভিন্ন ক্যাম্প এলাকায় একযোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার।

যৌথ অভিযানে ১৬ এপিবিএনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, ব্যাটালিয়ন আনসার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মোট ২৮০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ও তিনটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং ১৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ওই আসামির বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে পৃথক আরেকটি অভিযানে ২২ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। একই সময়ে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও সফলভাবে কার্যকর করা হয়।

অভিযানের অংশ হিসেবে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ১৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।

অভিযানের সারসংক্ষেপে জানানো হয়, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ একজন, ইয়াবাসহ একজন, একটি ওয়ারেন্ট তামিল এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ জনকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৮ জনকে আইনানুগ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।

১৬ এপিবিএন জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ২৬ জুলাই সকল সরকারি দপ্তরে একযোগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা র‍্যালি অনুষ্ঠিত হবে

এপিবিএনের নেতৃত্বে টেকনাফে যৌথ অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাতসহ ১৮ জন আইনের আওতায়

আপডেট সময় : ০৩:১৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

ফরহাদ রহমান,স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার: কক্সবাজারের টেকনাফে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ও একাধিক হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ মোট ১৮ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত ১৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টেকনাফে ১৬ এপিবিএনের আওতাধীন বিভিন্ন ক্যাম্প এলাকায় একযোগে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার।

যৌথ অভিযানে ১৬ এপিবিএনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, ব্যাটালিয়ন আনসার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মোট ২৮০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এক দুর্ধর্ষ ডাকাত ও তিনটি হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক এবং ১৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ওই আসামির বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে পৃথক আরেকটি অভিযানে ২২ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। একই সময়ে একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও সফলভাবে কার্যকর করা হয়।

অভিযানের অংশ হিসেবে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ১৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেন।

অভিযানের সারসংক্ষেপে জানানো হয়, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ একজন, ইয়াবাসহ একজন, একটি ওয়ারেন্ট তামিল এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ জনকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৮ জনকে আইনানুগ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।

১৬ এপিবিএন জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এ ধরনের সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।