ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অতিরিক্ত অধিকাল ভাতার দাবিতে বেনাপোল স্থল বন্দরে মানববন্ধন, এক মাসের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত নরসিংদীর শিবপুরে ভূমি মেলায় বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুঃ আব্দুর রহিম উখিয়ায় বিজিবির দুই অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার পটিয়ায় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি), চট্টগ্রাম এর কার্যক্রম বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন থেকে মাদক উদ্ধার, চোরাই পণ্য পাচার হচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রেনে নারায়ণগঞ্জে ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’ এর উদ্বোধন ঈদুল আজহা ২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জামাত আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড় চাষীনগরে উদ্ধার হওয়া শ্যামলী পরিবহন চালকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর ভূমিসেবা পেতে জনগণকে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাতায়াত নিরাপদ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নারায়ণগঞ্জে বিশেষ সভা

প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী হালিম গ্রুপের প্রধান হালিম

 মোহাম্মদ রাসেল মির্জা টেকনাফ প্রতিনিধি:-কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন কথিত সন্ত্রাসী সংগঠন ‘হালিম গ্রুপ’-এর প্রধান আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় ক্যাম্পজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮/ইস্ট ব্লকের লাল ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের ভেতরে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে প্রতিপক্ষের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী আব্দুল হালিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন হালিম। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান বলে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক সিরাজ আমিন। তিনি জানান, ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্প এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত টহল জোরদার করেছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত অধিকাল ভাতার দাবিতে বেনাপোল স্থল বন্দরে মানববন্ধন, এক মাসের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত

প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী হালিম গ্রুপের প্রধান হালিম

আপডেট সময় : ১১:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

 মোহাম্মদ রাসেল মির্জা টেকনাফ প্রতিনিধি:-কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত হয়েছেন কথিত সন্ত্রাসী সংগঠন ‘হালিম গ্রুপ’-এর প্রধান আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় ক্যাম্পজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮/ইস্ট ব্লকের লাল ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের ভেতরে আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে প্রতিপক্ষের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী আব্দুল হালিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন হালিম। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান বলে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক সিরাজ আমিন। তিনি জানান, ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী তৎপর রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্প এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত টহল জোরদার করেছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।