ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আনসার-ভিডিপি সদস্যদের হাত ধরে প্রতিটি গ্রাম আর্থসামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে : প্রধানমন্ত্রী অতিরিক্ত অধিকাল ভাতার দাবিতে বেনাপোল স্থল বন্দরে মানববন্ধন, এক মাসের আশ্বাসে আন্দোলন স্থগিত নরসিংদীর শিবপুরে ভূমি মেলায় বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুঃ আব্দুর রহিম উখিয়ায় বিজিবির দুই অভিযানে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার পটিয়ায় গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি), চট্টগ্রাম এর কার্যক্রম বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত বেনাপোল বন্দরে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রেন থেকে মাদক উদ্ধার, চোরাই পণ্য পাচার হচ্ছে যাত্রীবাহী ট্রেনে নারায়ণগঞ্জে ‘ভূমিসেবা মেলা ২০২৬’ এর উদ্বোধন ঈদুল আজহা ২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জামাত আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক সভা রামগড় চাষীনগরে উদ্ধার হওয়া শ্যামলী পরিবহন চালকের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর ভূমিসেবা পেতে জনগণকে আর দুর্নীতির শিকার হতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: যানবাহনের ভিড়ে রাজধানীর সড়কে সময় যেখানে প্রায়শ থমকে দাঁড়ায়, সেই চিরচেনা সড়কে দেখা গেল এক ভিন্ন চিত্র। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিভিআইপি প্রটোকলের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে তার বহর পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন।ফেনীতেও যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (৬ মে) সকালে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারওয়ানবাজার প্রান্তে ঘটনাটি ঘটে। প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন, পথিমধ্যে ঘটলো এই ঘটনা।

সকাল ৯টার কিছু সময় আগে, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর তখন বনানী এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে কারওয়ানবাজার এফডিসি মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সের দিকে। তার গাড়ি বহরের পেছনে সাইরেন বাজাতে বাজাতে অ্যাম্বুলেন্সটি অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি বুঝে অতি জরুরি সেবার এই গাড়িকে সাইড দিতে বহরে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেছেন কর্মকর্তারাও অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দেন।

বাংলাদেশে ভিভিআইপি বহরের কারণে সড়কে অন্য যানবাহনকে অপেক্ষা করতে দেখে আসছে জনগণ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তারেক রহমান সেই প্রটোকল ও রীতি ভাঙলেন। সবার ওপরে জনগণ- এই মর্মে তিনি দেশ পরিচালনা করছেন।

একজন সরকার প্রধান অসুস্থ মানুষের জরুরি প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রায়শ প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের মানবিক দৃষ্টান্ত দেখাচ্ছেন। আজকের দৃশ্য দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরো বিষয়টি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ও মানবিক। সাধারণত মানুষ এই ধরনের চিত্র দেখতে অভ্যস্ত নয়। এটিকে সাধারণ মানুষের প্রতি একজন সরকারের প্রধানের দায়িত্ববোধ এবং সহমর্মিতার একটি শক্ত বার্তা হিসেবে দেখছেন সবাই।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের হাত ধরে প্রতিটি গ্রাম আর্থসামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে পরিণত হবে : প্রধানমন্ত্রী

বহর থামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:২১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: যানবাহনের ভিড়ে রাজধানীর সড়কে সময় যেখানে প্রায়শ থমকে দাঁড়ায়, সেই চিরচেনা সড়কে দেখা গেল এক ভিন্ন চিত্র। এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিভিআইপি প্রটোকলের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে তার বহর পার হওয়ার জায়গা করে দিলেন।ফেনীতেও যাবেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (৬ মে) সকালে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারওয়ানবাজার প্রান্তে ঘটনাটি ঘটে। প্রধানমন্ত্রী যখন বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন, পথিমধ্যে ঘটলো এই ঘটনা।

সকাল ৯টার কিছু সময় আগে, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর তখন বনানী এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে কারওয়ানবাজার এফডিসি মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। আকস্মিক প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে পড়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সের দিকে। তার গাড়ি বহরের পেছনে সাইরেন বাজাতে বাজাতে অ্যাম্বুলেন্সটি অতিক্রমের চেষ্টা করছিল। প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি বুঝে অতি জরুরি সেবার এই গাড়িকে সাইড দিতে বহরে থাকা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেছেন কর্মকর্তারাও অ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দেন।

বাংলাদেশে ভিভিআইপি বহরের কারণে সড়কে অন্য যানবাহনকে অপেক্ষা করতে দেখে আসছে জনগণ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তারেক রহমান সেই প্রটোকল ও রীতি ভাঙলেন। সবার ওপরে জনগণ- এই মর্মে তিনি দেশ পরিচালনা করছেন।

একজন সরকার প্রধান অসুস্থ মানুষের জরুরি প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রায়শ প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের মানবিক দৃষ্টান্ত দেখাচ্ছেন। আজকের দৃশ্য দেখে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরো বিষয়টি ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ও মানবিক। সাধারণত মানুষ এই ধরনের চিত্র দেখতে অভ্যস্ত নয়। এটিকে সাধারণ মানুষের প্রতি একজন সরকারের প্রধানের দায়িত্ববোধ এবং সহমর্মিতার একটি শক্ত বার্তা হিসেবে দেখছেন সবাই।