ফরহাদ রহমান, স্টাফ রিপোর্টার কক্সবাজার : কক্সবাজারের উখিয়ায় পৃথক দুটি অভিযানে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকারসহ এক পেশাদার মাদক কারবারি এবং আদালতের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৫।
র্যাব-১৫ জানায়, গোপন তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় গত ২৩ জুলাই সকালে র্যাব-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের রূপপতি এলাকার মেরিন ড্রাইভ সড়কে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবি চেকপোস্টের উত্তর পাশে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে একটি সন্দেহভাজন সাদা রঙের প্রাইভেটকার থামানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে চালক গাড়িতে ইয়াবা থাকার কথা স্বীকার করলে তার দেখিয়ে দেওয়া মতে ড্রাইভিং সিটের নিচ থেকে স্কচটেপ ও পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ১০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার মাদক কারবারি মো. রায়হান (২৭) টেকনাফ উপজেলার সদর ইউনিয়নের অলিয়াবাদ এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করে আসছিলেন বলে জানিয়েছেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে একই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে র্যাব-১৫-এর সিপিসি-২-এর একটি আভিযানিক দল উখিয়া থানার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় আরেকটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা আদালতের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুরু হোসেন ওরফে নুরু (২৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উখিয়ার ৯ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের এ/৪ ব্লকের বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, ১৯৪৬ সালের বিদেশি নাগরিক সংক্রান্ত আইনের ১৪ ধারায় দায়ের করা একটি মামলায় আদালত নুরু হোসেনকে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
গ্রেপ্তার নুরু হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১৫ জানিয়েছে, মাদক নির্মূল, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রতিনিধির নাম 


















