ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে সংসদের সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত রূপকথার যাত্রা অব্যাহত রেখে নক আউটে কেপ ভার্দে, প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা ইরান হামলা চালালে ‘সহিংস’ জবাব দেওয়া হবে: ভ্যান্স টেকনাফ শীলখালীতে ৪৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ নবীগঞ্জ কদম রসুল দরগাহ শরীফে খতমে মিলাদে অংশগ্রহণ ও মোনাজাতে শরিক হন ডিসি মো. রায়হান কবির কক্সবাজারে ক্যাডেট এএসআই নিয়োগের তৃতীয় দিনের কার্যক্রম সম্পন্ন মাদক, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়তে হবে : মফিজুর রহমান সোহেল বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে বরুড়ায় মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ক্যাডেট এএসআই (নি:) পদে পদে নিয়োগ হবে অত্যন্ত স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং দুর্নীতিমুক্ত :এসপি মো. মিজানুর রহমান মুন্সী

জেলা বিএনপির উদ্যেগে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে (৭ নভেম্বর) শুক্রবার পৌর পার্কে বিকাল ৪ ঘটিকায় জেলা বিএনপির আয়োজনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করেছে। এই ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। বর্ণাঢ্য র‍্যালী টি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর পার্ক থেকে আরাম্ভ করে শান্তি মোড়ে শেষ করে। র‍্যালি শেষে পৌর মঞ্চে আলোচনা সভা করে জেলা বিএনপি। উক্ত র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম টিপু জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম (চাইনিজ রফিক), জেলা মহিলা দলের সম্পাদক মাসউদা আফরোজা হক সুচি,চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ সারওয়ার জাহান, জেলা বিএনপির সদস্য ওবায়েদ পাঠান, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহিরুল হক বিশ্বাস বুলু, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সেন্টু,ইন্জিনিয়ার ইমদাদুল হক মাসুদ ও সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম কিবরিয়া কোয়েল প্রমুখ। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি ইতিহাস তুলে ধরেন বক্তারা ,১৯৭৫ সালের এই দিনে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত দিন। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।

ট্যাগস :

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে সংসদের সর্বসম্মত ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত

জেলা বিএনপির উদ্যেগে ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

আপডেট সময় : ০৯:০৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

চাঁপাইনবাবগঞ্জে (৭ নভেম্বর) শুক্রবার পৌর পার্কে বিকাল ৪ ঘটিকায় জেলা বিএনপির আয়োজনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করেছে। এই ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে এক বিশাল বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। বর্ণাঢ্য র‍্যালী টি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর পার্ক থেকে আরাম্ভ করে শান্তি মোড়ে শেষ করে। র‍্যালি শেষে পৌর মঞ্চে আলোচনা সভা করে জেলা বিএনপি। উক্ত র‍্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম টিপু জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম (চাইনিজ রফিক), জেলা মহিলা দলের সম্পাদক মাসউদা আফরোজা হক সুচি,চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ সারওয়ার জাহান, জেলা বিএনপির সদস্য ওবায়েদ পাঠান, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহিরুল হক বিশ্বাস বুলু, এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সেন্টু,ইন্জিনিয়ার ইমদাদুল হক মাসুদ ও সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম কিবরিয়া কোয়েল প্রমুখ। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি ইতিহাস তুলে ধরেন বক্তারা ,১৯৭৫ সালের এই দিনে সমগ্র জাতি যখন অনিশ্চয়তার সম্মুখীন, তখন সিপাহি-জনতার মিলিত বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়ে দেশপ্রেমের এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে সিপাহি-জনতা তাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে। তিনি ক্রান্তিময় সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশে প্রবর্তন করেন বহুদলীয় গণতন্ত্র। সূচনা করেন উন্নয়ন ও উৎপাদনের নবধারার রাজনীতি। তাই ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত দিন। সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনে বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।